শনিবার । ২৪শে জানুয়ারি, ২০২৬ । ১০ই মাঘ, ১৪৩২

জুমা’র নামাজ শেষে মসজিদে দোয়া চাইলেন প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনের আর বাকী ২০ দিন। গতকাল শুক্রবার জুমা’র নামাজ শেষে বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে দোয়া চেয়েছেন প্রার্থীরা। তাদের কর্মী সমর্থকরাও বসে নেই। খুলনা মহানগরীসহ পাশর্^বর্তী উপজেলার পাড়া মহল্লায় জোরে সোরে প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। বিতরণ করছেন লিফলেট। এবারের নির্বাচনে বেশি সরব বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোট প্রার্থী এবং তাদের কর্মী সমর্থকরা। এদিকে ভোটারদের ভোট ও সমর্থন পেতে প্রার্থীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছেন। তবে সাধারণ ভোটারদের প্রশ্ন নির্বাচন শেষে জনপ্রতিনিধিরা কি তাদের খবর রাখবে?

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠাতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে সাধারণ মানুষের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট। এ ভোটের মাধ্যমে মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটবে। এ ভোটে কোন ব্যত্যয় ঘটলে দেশ আরও পিছিয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তবে কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা এ নির্বাচনে হ্যাঁ ভোটের পক্ষে।

শুক্রবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটির দিন। এ দিন নগরীর কয়েকটি ওয়ার্ডে দু’টি বৃহৎ দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী ও সমর্থকদের দেখা গেছে নিজেদের পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চাইতে। তারা ধর্ম ও বর্ণ শেষে সব শ্রেণির মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

বেলা ১১টার দিকে কথা হয় টুটপাড়া এলাকার হাফিজুলের সাথে। তিনি জানান, গত ১৬ বছরে একটিও অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। নিষ্পষিত হয়েছে সাধারণ মানুষ। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। কোন কিছুরই নিয়ন্ত্রণ ছিল না। স্বাভাবিক জীবন-যাপন করা ছিল খুবই কঠিন। এক কথা মানুষের কোন বাক্স্বাধীনতা ছিলনা। কোন কিছু বললে নানা ধরনের হয়রানি করা হতো। ৫ আগস্টের পর থেকে মানুষ স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছে। নির্বাচনে মানুষ নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। এ নির্বাচনটা আমাদের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শেখপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাজ্জাদ হোসেন জানান, নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করি। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচনের পর আর কোন খোঁজ খবর নেয় না। যারা সাধারণ মানুষের খোঁজ খবর নেবে তাদের সাথে আমরা থাকবো। তিনি আরও জানান, হ্যাঁ ও না ভোট সম্পর্কে অনেকের কোন ধারণা নেই। নির্বাচনের আগে যদি এটা স্বল্প শিক্ষিত মানুষের মধ্যে পরিষ্কার করে না দেয়া হয় তাহলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটবে বলে তিনি জানান।

 

খুলনা গেজেট/এনএম




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন